✍ সৈকত মজুমদার
কলেজ চলাকালে একবার ঈশিতা ওর কয়েকজন বান্ধবী মিলে পুলিশে ইন্টারভিউ দেয়। কলেজ শেষ হওয়ার দুই মাস পর অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে হাতে অফার পায়। ট্রেনিং চলাকালীন ঈশিতা আর অসীমের যোগাযোগ কিছুটা কমে যায়। অসীম ঈশিতার কলেজের বন্ধু , ঈশিতা খুব বিশ্বাস করে। নিজের মনের সব কথা শেয়ার করে।
এদিকে অসীম ঈশিতাকে প্রথম থেকেই অন্য চোখে দেখে। কিন্তু বলতে পারে না, যখনই বলতে যায় কোনো না কোনো বাঁধা এসে সামনে দাঁড়ায়। ট্রেনিং শেষে ঈশিতা বাড়িতে এলে একদিন বিকেলে অসীম সহ বাইকে ইকো পার্কে যায় ঘুরতে। একসাথে ঘাসের গালিচায় বসে গল্পগুজব করছে দুই কপোত কপোতি। ফাগুনের মাঝামাঝি , মাথার উপর কৃষ্ণচূড়া গাছের ডালে বসে একটা কোকিল ডাকছে। অসীমের বুকের ভিতরটা ধুকপুক করছে, অসম্পূর্ণ কাজটা পূর্ণ করার জন্য মানসিকভাবে নিজেকে তৈরি করছে।
অসীম প্রপোজ করতে যাবে, এমন সময় ঈশিতা বলে- ট্রেনিং সেন্টারে একটা ছেলেকে আমার ভালো লাগে, কখনো বলা হয়নি তোকে। ওর সাথে কোর্ট ম্যারেজ করার প্ল্যানিং করছি অনেকদিন ধরে, তুই আমার পক্ষে সাক্ষী !
No comments:
Post a Comment