Slideshow


কথোপকথন

✍️যৌথ কলমে দিপ্সী দে,জুয়েল সাহা

তোমার চোখ খুব সুন্দর আমি  একরাশ নীরবতায় মগ্ন হয়ে,

মরুভূমির বালিরাশির সুশৃঙ্গল তায়  তপ্ত রৌদ্রে ঠাই দাড়িয়ে আছি,

আমার প্রাণ দিয়ে আমি একজন কে ভালোবেসেছি,

পোস্ট বস্কের  নিদারুন হঠকারিতায় আমি ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরেছি বহুবার।

তবে আমি কি বাঁচবো না?

আমার ঘর অন্ধকারে আচ্ছন্ন প্রায় ই থাকে 

চাঁদ কেন? আসে না। অপেক্ষায় মনে বিক্ষিপ্ত প্রশ্নের আনাগোনা,

নিবিড় সন্ধিক্ষনে জটলা বাঁধে কিছু বিমূর্ত গল্প জীবনের সমুদ্র সফেনে।

নীরবিচ্ছিন্ন বিকেলের এক পলশা বৃষ্টি।

এ যেন মরুভূমির বুকে নিছক অলীক কল্পনা।

এক উদবিগ্ন যক্ষের নিবার্সন দন্ডের কথা মনে পড়লে প্রায় ই

আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

পূর্নিমার চাঁদ ডুবে গেলে এক বুক জল তৃষ্ণায় আমি ছুটে যায়, কালান্তর স্রোতের সন্ধানে।

বালি আর বালির সন্নিকটে আমার  হাত কেটে যায় অন‍্যমনস্কতায়।

রৌদ্রে পোড়া মাটির গন্ধে জীবন মন্থনে প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে 

তখন তুমি কোথায় ছিলে?

তুমি জীবনানন্দের কাব‍্যের বনলতার মতো লুকিয়ে ছিলে এতকাল ধরে!

মরুবিচ্ছিন্ন বালিতে দাড়িয়ে যখন চাঁদ দেখি  প্রায় রাতে একা,

মহানগরীর পথের শেষ প্রান্তে,

বেলা শেষে তোমার সাথে দেখা হলে জানতে ইচ্ছে করে

তুমি খুব মিষ্টি মেয়ে 

তোমার জন‍্য কি করতে পারি বলো?

আমার উদাসীনতায় তুমি প্রশ্ন করলে খোলামেলা ভাবেই জানিয়ে দিয়েছি,বহুবার

আমি একজন এর জন্য দীর্ঘক্ষন ধরে অপেক্ষা করছি।

তখন হঠাৎ  তোমাকে প্রশ্ন করে বসি

যদি আমি স্তব্ধ হয়ে পড়ি?

তখন হঠাৎ  আমি অবাক

হয়ে যায়। কারণ,

হাত চেপে আমি বলেছি পাশে আছি

এতো সহজে তো ছাড়ছিনা।

মরুভূমির চাঁদ ডুবে গেলে ঘরে ফিরে যায় দুজনে।

No comments:

Post a Comment