Slideshow


অতিক্রান্তের জন্য

শ্যামসুন্দর মন্ডল 

আমি শূন্যচোখে অসীমের দিকে নিশ্চিহ্ন হতে হতে 

পেরিয়ে যাচ্ছি নীল অতলান্তের প্রত্যেকটা মোহ

আমি উদ্ভ্রান্ত কিংবা উদ্দেশ্যহীন নই তবুও অবিন্যস্ত 

আমি তোমায় খুঁজেছি গাঙচিলের বেশে শূন্যে ভেসে ভেসে

রোদ ডানাভাঙা রোদন, স্তন ছুঁই ছুঁই শোক অফুরন্ত ঢেউ, নীল---

পড়ন্ত বিকেল লিখে রাখে কত অবয়হীন হায়ারোগ্লিফিক লিপি 

পিরামিডীয় সন্ধ্যা ধ্রুপদী রহস্যে দাঁড়িয়ে দিগন্ত রেখায় 

দূরে তুলসীতলায় প্রদীপের আলো গুঁড়ো গুঁড়ো কিশোরী বেদনা

শাঁখের প্রসব আর কাঁসরের উচ্চ রোদন খুঁজতে চেয়েছে শুধু একটা বাঁশি 

কিন্তু সে তো চিরবিরহ তবু্ও রাত্রি কুয়াশা ক্রন্দনে পেরিয়ে যায় সমস্ত আগল

পোয়াতির যাবতীয় যন্ত্রণা সয়ে নিতে দেখি তাকে, একটা সূর্য জন্ম দেওয়ার জন্যে।

আমি শূন্য চোখে শ্রাবণ হতে হতে প্লাবন ছুঁয়েছি এতদিনে 

প্লাবনে ভাসিয়েছি নিজেকে সম্পূর্ণ নিঃশেষে। আমি পেরবোই।

জোনাকির ধিকিধিকি দহনে আমি নিজেরে সম্পূর্ণ ভেঙে চুরে দিই নির্মম। 

প্লাবন শেষে এ নয়ন শূন্যতট হোক মনন্তরের জন্মদাগ,

রাত্রি জাগবো বলেই তো অন্ধকারে করি নক্ষত্রের চাষ।

No comments:

Post a Comment