✍️প্রিয়াংকা সেন
হে গো তোমারা কি জানো কারাগারে বন্ধী কেমন,
একদিন থেকে থাক বুঝিতে পারিবে কারাগারে বন্দী কেমন।
উরতে চেয়েছিলাম অচীন পাখীর মতো,রয়ে গেলাম চার দেওয়ালে মাঝে।
কত যে ইচ্ছা ছিল মোর ভোরে পাখী হয়ে,
প্রকৃতি বাতাস সাথে তাল মিলিয়ে উরতে।
রয়ে গেলাম পথের মাঝে
না জানি কত যে ইচ্ছা বিলুপ্ত হয়ে গেলো।
ছাড়তে দাও আমাদেরকে নিজের মতো বানিয়ে নেব মোদের জীবন।
কত দিন রাখিতে পারিবে হাত পা বেঁধে,
আজ না তো কাল খুলে নিব।
সুর ভরা জীবন রয়ে গেল জল বিহীন কলসের মতো।
মৃদু মৃদু ভরা বাতাস,ফুল, চারিদিকে চিৎকার করে উঠেছে,
জাগো তোমরা জাগো।
কতদিন থাকিবে কারাগারে বন্দী হয়ে,
তাল মিলিয়ে উঠ প্রকৃতির সাথের।
না বলতে পারি মোদের ইচ্ছা, না বুঝতে পারো মোদের ইচ্ছা।
হে নারী আজও তুমি রয়ে গেলো মানুষের ইচ্ছায়।
আমাদের জীবন কি তোমাদের ইচ্ছায়?
আমরা ও চেয়েছিলাম হাসি মুখ ভরা নিয়ে বাঁচতে,
তাকে ও বাঁচতে দাও করতে দাও , করিয়ে দেখাবে তোমাদের মুখ উজ্জল।
হে রক্ত মাখা মানুষ তোমাদের কি হৃদয় নেই,
হৃদয় বিহীন মানুষ কি বুঝিতে পারিবে!!!
একবার ঝাঁকিয়ে দেখ নিরীহ মানুষের মুখ,
বুঝিতে পারিবে তার বেদনার মনের কথা।
হে হ্নদয়বিহীন ব্যাক্তি আমাদেরকে এই ভাবে ভাঙতে দিও না,
ছেরে দাও চার দেওয়ালে বন্ধী থেকে,
সবুজ বনের সাথে তাল মিলিয়ে বেঁচে থাকতে চায়।
মাথা উঁচু করে চোখে চোখ মিলিয়ে কাজ করতে চায়।
না রাখতে পারি চোখের জল, না বেঁধে রাখতে পারি নিজের ইচ্ছা।
নদীর ভাঙা জলের স্রোতে মতো ভয়ে যাচ্ছে আমাদের গতি,
রাখিতে না পারিবে এই ভাবে , বুঝে রাখো আমার গতি।
কত যে পাহাড় পর্বত দাঁড়িয়ে আছে নিজের এক পায়,
দেখিতে কেমন সুন্দর নীল গিরি পর্বতে মতো।
আমরা ও দাঁড়িয়ে থাকব নিজের এক পায়,
তখন বুঝিবে আমাদের স্বপ্ন।
আমরা ও আমাদের মতো বানিয়ে নেব, আমাদের জীবন থাকিতে আর পারিবনা কারাগারে বন্ধী হয়ে।
যে দিন তোমাদের থেকে মুক্তি পাবো ওই দিন ভুরে পাখী হয়ে উরে বেড়াবো দেশ দেশান্তরে।
No comments:
Post a Comment