✍️সুধীর দাস
কি ছিল তার পরিচয়?
লক্ষ লক্ষ ভ্রুনের সঙ্গে করে লড়াই।
মাতৃ গর্ভকোশে পৌছেঁ একটি সুন্দর নবজাতক রূপে জন্ম।
নিষ্পাপ, নিষ্কলঙ্ক পবিত্র শিশু
কলুষিত সমাজের চিন্তা ভাবনা থেকে অধুষিত।
কিন্তু সে কি জানতো তার প্রকৃত পরিচয়?
সে কি জানে তার গর্ভধারিনী কে?
সে কি জানে তার জন্মদাতা পিতা কে?
সৃষ্টির সৃষ্ট এ সংসারে তার স্থান শহরের বস্তিগলির বর্জ্য আবর্জনার ড্রেনের পচা জলের মাঝে।
সে জানেনা তার পরিচয়?
দিবারাতি ক্ষুধার তাড়নায় ছুটতে হয় দ্বারে দ্বারে।
লাথি , ঝাঁটার বারি খেয়েও তাকে ছুটতে হয় পথে প্রান্তরে।
প্রতিটি পদক্ষেপে যার জীবনের সাথে করতে হয় লড়াই।
শীর্ণ জীর্ণ দেহ রাস্তার কুকুর প্রকৃত মিত্র।
সে জানেনা মাতৃত্বের বন্ধন , সে জানেনা পিতার ভালোবাসা।
সে জানেনা বন্ধুত্ব কি? সে জানেনা রাখীবন্ধন কি? সে জানেনা ভাইফোটা কি?
তার চোখে শুধু ক্ষুধার আর্তি।
যখনই সে নিজে কোনো দোষ করে
তখনই নিজেকে নিজে করে শাসন।
যখনই তার মায়ের কথা মনে পড়ে
তখনই সে নিজেকে নিজে করে স্নেহ আদর ।
পূর্ণিমার রাতে চাঁদকে ভাবে ঝলসানো রুটি।
তবুও তার একটাই পরিচয় সে অনাথ।
No comments:
Post a Comment