সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ
দিপ্সী দে
স্মৃতির পটে জীবনের ছবি কে আঁকিয়া যায় জানিনা,তবে যেই আঁকুক না কেন? সে যেন ছবি ই আঁকে।
কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের আঁকর গ্রন্থ জীবনস্মৃতির পাতায় রবি থেকে কবি হয়ে ওঠার ইতিহাস তা বলেগেছেন।
জ্যোতি দাদার কথায় কবি কলম তুলেছিলেন।তিনি এই নিয়ে এই কৌতুক ও করেন,ছোট্র হরিণ শিশুটি যেই ভাবে গুঁতা মারিয়া যায় আমি ও তেমন.......
ছোট রবির সাহিত্য ও জীবনের কথা স্মরণ করে রবি জীবনস্মৃতি লিখেছিলেন।ঘাটের কথা থেকে কবিতা রচনারম্ভ পিতৃদেব মৃত্যু শোক ভগ্ন হৃদয়ের প্রতিটি পাতায় মনে করিয়ে দেয় বিশ্বকবির জীবন কথা।
ছোট বেলায় রবি মা হারায় মৃত্যুশোক কি সে তখন বুঝেনি পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ছিলেন ব্রক্ষ্ম পুরুষ তিনি ব্যাস্ত থাকতেন ভ্রমন আর নিজস্ব জীবনের গন্ডি নিয়ে।রবির সাথে তার দেখা হয়েছিল উপনয়ন দেবার সময়।পিতা কে চিঠি লিখে কবি তার মনের কথা জানাতেন চাকর শ্যামের ভয় দেখিয়ে গন্ডি কেটে দেওয়া পৌরানিক কাহিনীর মধ্যে রবি বড়ো হয়।
কৈশোরে সঙ্গী হিসেবে পায় বৌঠান কে তারপর জীবনের পাতায় অনেক পরিবর্তন আসে,জোয়ার আসে রবির লেখালেখির জীবনে প্রথম প্রকাশিত লেখা হিন্দুমেলার উপহার।তারপর সময়ের কালস্রোতে একে একে আসে বাল্মিকী প্রতিভা রাজারানী কালের যাত্রা গিতাঞ্জলি চৈতালি চিত্রা সোনারতরী তারপর রবিকে আর কেউ আটকে রাখতে পারেনি।কবিতা ছবিআঁকা নাটক সংগীত সমস্ত সাহিত্য জগতের চুড়ামনি হয়ে উঠেছিলেন ছোট্র সেই কবি রবি।কালজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ।
No comments:
Post a Comment