বিপুলকান্তি চক্রবর্তী'র ধারাবাহিক কবিতা
পর্ব : দুই
আগামীর প্রত্যাশা
উত্তরের হিমেল বাতাস ভালো লাগতো
তখন দেখতাম মাঝে মাঝে কুয়াশার চাদরে মোড়া গোমতীকে
রাতে বাঁধ ভাঙা জ্যোস্না খেলতো নদী চড়ায়-সেইসব এখন শৈশবকথা।
তারপর হঠাত্ চিতাভস্ম নিয়ে ছুটে গেলাম-দূর দূর আরো দূরে!অপ্রয়োজনে যেদিকে নীরবতার সুর,সন্ধ্যার পর আলাপহীন নির্জন মুহূর্তরা এসে ডেরা বাঁধে মনের দ্যোতনাগুলি সুড়সুড়ি দিয়ে।
এইখানে একটি অন্ধকার
মানুষের এই সময়টুকু চক্রের আর্বতনে কেবল তার খোলস পাল্টাবার
রাতদিন স্থবিরতা,নিস্তরঙ্গ অনুভূতি।
আবার জাগছে তার কোলে কুলকুল রবে নদী,সবুজের ফসলমাঠ,পাহাড়ি রমনী পুরুষের ঘামহীন অলসবেলার চুয়াক বচসা-গর্হিত ঠোঁটে।
সকল দৃশ্যের ভিতর আঘাত লাগে,অপ্রয়োজনে।
কখনো উচ্ছল চোখে খুশির দিক থেকে ভিন্ন শিউলির গন্ধ ভরা বাতাস,কাশফুলের দোলায় উত্তাল চর্তুদিক ডুবিয়ে রাখে প্রবাসীর মন।আগামীর প্রত্যাশায়।
সেই আঁশ আর স্বপ্নগুলোর চাপা পড়া ক্রমশ একটি
দীর্ঘশ্বাসকে ঘিরে রেখেছে,
মানুষের মন।
No comments:
Post a Comment