জীবন মন্থনে প্রত্যেক মানুষ ভিন্ন এক একটি জীবন দিয়ে একটা রুপকথার গল্প দাড়িয়ে যায়, যেমন.......
কিছু মানুষ সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দিনের পর দিন ছুঁটে যায়।
বুকের মাঝে জমানো থাকে অঢেল যন্ত্রনার চিরকুট
আবার কেউ অর্থের পিছনে পিছনে ছুটে বেড়ায় ।
বিপরীত প্রান্তে আবার কেউ,
দু বেলা খাবারের খোঁজে ছট ফট করতে থাকে পৃথিবীতে তাড়াই সবচেয়ে বেশি অসহায়
অন্যদিকে চিত্র টা বেশ সাত রঙের সোনার চামচ আর রুপোর চিকমিকি পাথরে যেন গড়া,
সূখ হাসি ভালোবাসা পেয়েও
আরো প্রাপ্তির চাহিদা!
কেউ খাবার পেয়েও খাবারের মর্যাদা দেওয়ার যোগ্য না।
খাবারের পেকেট ছুঁড়ে ফেলে যায় পথের ডাস্টবিনে,
কিন্তু বাড়িতে কাজের মেয়েটা
বারতি খাবার বেগে পুরলে
চুর বলে চেঁচিয়ে উঠে!
হায়রে সভ্যতা!হাইরে মানবিকতা!
কেউ রাতে পার্টি সেরে বাড়িতে আসে মাতাল হয়ে
দিন শেষে তাদের ফূর্তি না করলে হয় না অথছ ক্ষুদার্থ শিশুর খোঁজ রাখার সময় হয়না
আবার কারোর শীতের রাতে ঠান্ডায় কেঁপে কেঁপে পথেই মৃত্যু হয়।
মধ্যবিত্ত মানুষগুলো সামান্য কিছু পেয়েও মনে হাসি নিয়ে থাকে
কিন্তু কোটিপতি মানুষগুলোর ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা সত্বেও , পরিপূর্ণ ভাবে ঘুমাতে করে না
কেউ টাকার জন্য বই কিনতে পারে না,
আবার কেউ সবকিছু পেয়েও অসৎ এর সঙ্গী হয়।
এটাই বাস্তব এটাই জীবন
বাস্তব জীবনে অঢেল মেধা থাকা ছেলেটা ও বটতলা তে ঝালমুড়ি বিক্রী করে।
আবার কোটিপতি বাবার লম্ফট ছেলেটা ও অসৎ পথে সার্টিফিকেট কিনে ফেলে।
সব হয় শুধু গরীব মানুষ গুলি স্বপ্ন হারিয়ে কেঁদে মরে
কেউ মেধা ছাড়াও অফিসার
আবার কেউ মেধা থেকেও ওই অফিসারের ড্রাইভার।
কেউ জন্মের পর থেকেই মাতৃ এবং পিতৃ হারা।
আবার কেউ মা বাবাকে অতি যত্নে রেখে আসে অযাচিত বা আনন্দ আশ্রমে
তাদের মনে পড়ে না ছোট বেলাকার মা মা করে বাড়ি মাথায় করার কথা
মনে পড়েনা বাবার পিঠে চড়ে
ঠাঁকুর দেখার কথা।
নচিকেতার সেই বিশ্ব বিখ্যাত গান,
আমার ঠিকানা আজ বৃদ্ধাশ্রম
গানটি শুনতে শুনতে ঠিকানা বদলে রিফিল ভর্তি কলমে চোখে জল নিয়ে লিখতে হয় আনন্দ আশ্রম।
কেউ ভালোবাসা পায় না
আবার কেউ ভালোবাসা সম্মান দিতে জানে না,
এটাই বাস্তবতা এটাই
জীবনের অনুসাঙ্গীকতা এই জীবন মন্থনে পথ চলতে
চলতে খানিকটা অভিজ্ঞতা
✍জুয়েল সাহা(সাংবাদিক)
✍ দিপ্সীদে (লেখিকা)

No comments:
Post a Comment